নামঃ Umme hane shihan
গল্পঃ আমার অনার্স সেকেন্ড ইয়ারে ফাইনাল এক্সামের সময় আমার ছোট ছেলেটি ছিলো গর্ভে। এবং বড় মেয়ের বয়স ছিলো মাত্র আড়াই বছর। আমি পরীক্ষার জন্যে মায়ের বাসায় যাই। তো সব কিছু মিলে আমার খুব নাজেহাল অবস্থা। এমন পরিস্থিতিতে মাই ছিলো আমার আশার আলো।আমার মেয়েকে সামলানো থেকে শুরু করে আমাকে পর্যন্ত খাইয়ে দিতে হতো মার।পরিবারের সকল কাজ সামলানোর পর আমার এক্সট্রা কেয়ার করতে ভুলতেন না মা কখনোই।যখন পরীক্ষার হলে যেতাম, কখনোই একা ছাড়তো না।আমি গাড়িতে বসে যখন রিভাইসড দিতাম তখন ও মা আমাকে খাওয়াই দিতো যদি খিদে পাই,সব কিছু গুছিয়ে দিত।আমার যাতে বসতে অসুবিধা না হয় তার জন্য প্রতিদিন স্যারদের সাথে কথা বলে নিতো মা।মাঝে মধ্যে মনে হতো আমার মেয়ের ছেয়েও ছোট আমি।যেখানে আমার মেয়েকে সামলাতে আমারই কষ্ট হতো,সেখানে মা একাই আমাদের সবাইকে সামলে নিতেন অনায়াসে।আমার শারীরিক অবস্থার জন্য মা কখনোই আমার কাজ গুলো ও করতে দেননি।এমন অবস্থায় এত মায়া মমতা আমাকে শীতল করে দিত। অবশেষে আমার রেজাল্ট দিলো এবং ফার্স্ট ক্লাস পাই।এই সব কিছুই আমার মায়ের অবদান।যা বলে বা লিখে কখনোই বুঝানো সম্ভব না।অনেক ভালোবাসি মা ❤️।