নামঃ Tamanna Hena
গল্পঃ জীবন ডায়েরির স্মৃতির পাতায় কত সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না, পাওয়া না–পাওয়ার অতীত। থাকে সুন্দর কিংবা অসুন্দর, রূঢ় বাস্তবতা। সফলতা, ব্যর্থতা। হাজারো অভিজ্ঞতা—ভালো, খারাপ; কোনোটা অনুভূতিহীন। মিশ্র অভিজ্ঞতা। আমার মাকে সেই ছোট বেলা থেকে আজ পর্যন্ত দেখে আসছি,নিজের কথা না ভেবে শুধু আমাদের জন্য কত ত্যাগ স্বীকার করেছেন।ছোটবেলা থেকে মা শিখিয়েছেন,কিভাবে অল্পে সন্তুষ্ট থাকতে হয়,কিভাবে বারবার ভেঙে পরলেও উঠে আবার পথ চলতে হয়। জীবনে কষ্ট না পেয়ে থাকলে আনন্দের মজাটা অনুভব করা যায় না। দুঃখ, কষ্ট, ব্যথা, ব্যর্থতা, অপমান—এসব না থাকলে সুখ আর সম্মানের ব্যাপারকে ভোগ করা যায় না। যেমনটা অন্ধকার আছে বলেই আলো কী তার গুরুত্ব বোঝা যায়। কষ্টময় অন্ধকার সময়ের শেষ হলেই আনন্দময় সকালের সোনালি সূর্য ওঠে। আমার মা আমার দেখা একজন সেরা নারী,সেরা মা। আমার মায়ের তুলনা শুধু আমার মা ই।কষ্ট করে আমাদের সংসারটাকে আগলে রেখেছে।আমার বাবা ১০ বছর যাবত অসুস্থ। আমার মা বাজার থেকে শুরু করে রান্না বান্না সব একা হাতেই সামাল দেয়।বাবার একার ইনকামের ৫ ভাই বোনকে সুন্দর ভাবে মানুষ করা সবাইকে সমান ভাবে প্রায়োরিটি দিয়ে সংসার সুন্দর ভাবেই আম্মার মেইন্টেইন করে আসছে।আমি আমার মা কে খুব মিস করি।বিয়ের পর থেকে আম্মার কাছ থেকে অনেক দূরে থাকতে হয়😭 যখনি বাসায় যাই সেই ছোট তামান্না হয়ে যাই।আম্মার হাতে ভাত মাখা না খেলে শান্তি লাগেনা।যতদিন আম্মার কাছে থাকি কোলে মাথা রেখে ঘুমাই,আম্মার হাতে ভাত মাখা যেনো অমৃত।আম্মা আমাকে সব কাজ নিজের হাতে ধরে শিখিয়েছে।বড় মেয়েতো একটু বেশি আদরের মায়ের আচলে আচলে থাকতাম।আম্মা আমাকে সব রান্না,ঘরের কাজ শিখানোর কারনেই বিয়ের পর আমার কোন সমস্যা হয়নি।আমার আম্মার বরংচ শুনামি বেশি।আমাদের আচরনের কারনে আমার মা যে সবাই রত্নগর্ভা বলে।মায়ের মত সবকিছুতে এত এক্সপার্ট না হলেও অনেকটা মায়ের মত চেষ্টা করি।আমার মা অনেক গুছানো একজন মানুষ।আজকে আমার বর্তমান অবস্থানের জন্য সব অবদান আমার মায়ের।গ্রাজুয়েশন কম্পলিট করতে পেরেছি আম্মার জন্য।আমার মা সেরা মা। তাই এই নারী দিবসে মাকে অনেক ধন্যবাদ ও ভালবাসি বলতে চাই।আমার জীবনের সুপারওম্যান আমার আম্মু।❤️❤️❤