নামঃ MD Raihan Uddin
গল্পঃ আব্বু মারা গিয়ে ছিল ২০১৩ সালে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে কিন্তু তবুও আম্মু... মা মা'রা গেলে বাবাদের দ্বিতীয় বিয়েটা স্বাভাবিক, পুরুষ মানুষ নাকি একা থাকতে পারে না। মায়েদের ক্ষেত্রে এটা হয় না, বেশিরভাগ মায়েরা চানও না। তাঁরা সেই একাকী থেকেই প্রতিদিন রান্না থেকে শুরু করে প্রতি মাসে ঘর খরচের টাকা আনা, সন্তানদের দেখাশোনা, সব করেন, কিচ্ছু থেমে থাকে না, আগের মতই সন্তানরা স্কুলে যায়, ঠিকমত স্যার কোচিং প্রাইভেট টিউটর পায়,পকেটমানি পায়, সন্তানেরা বড় হয়, গ্র্যাজুয়েশন কমপ্লিট করে, বিয়ে করে। টাকাটা কোত্থেকে আসে, সংসারটা কিভাবে চলে, কে চালায়, সব মা জানেন! একটা সময় পর নিজেকে তারা নিজের সন্তানের মতন পরম মমতা দিয়ে আগলে রাখে,হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলে নিজের হাতে হাত ধরে ওঠতে হয়। ব্যথা পেলে, চোখ মুছে দেওয়া লাগে না। হতাশা এলে সন্তানকে কোলে নিয়ে ঘুমায়। প্রতিটি ঘুরে দাঁড়ানো মা তার নিজের কাছে নিজের সন্তানের মতন। যে কিনা দুঃসময়ে নিজেকে কোলে পিঠে করে বড় করে তুলেছে। নিজের অপ্রিয় ঘটনাগুলো নিজের মধ্যে চাপা দিয়ে রাখে। একা একা অনেকবছর থেকে সবাইকে বড় আর প্রতিষ্ঠিত করে বিয়ে দিয়ে আবার এই মানুষগুলো একাই বাকী জীবন কাটিয়ে দেয়। কোন অভিযোগ নেই, কোন অভিমান থাকে না, একটা ভাঙাচোরা জীবনে তাদের শেষ অবধি কিচ্ছু থাকেনা তাদের, যেটুকু তাদের হৃদয় থাকে তা হল ” মায়া আর ভালোবাসা সন্তানের ” মায়েরা পারেনও।। সূর্যের তাপ আর আপনার মায়ের রাগ দুটোই সহ্য করতে শিখুন। সূর্য ডুবে গেলে দুনিয়া অন্ধকার; মা চলে গেলে জীবন অন্ধকার! তা-ই, মা দিবসে আমার চাওয়া মায়েরা যেন সন্তানের পরম স্নেহ ভালোবাসা আর যত্নে বাচুক, সকল মায়ের স্বপ্ন যেন পূর্ণতা পাক সন্তানের মাধ্যমে। ধন্যবাদ