নামঃ Raihaan Ahmed
গল্পঃ পরিবারের বড় ছেলে, বাবা নেই! তাই স্বাভাবিক ভাবে পরিবারের দায়িত্ব টা আমার কাধে-ই অর্পিত হলো। আমি ক্লাস এইটে উঠতেই বাবা মারা যায়, পরিবারের নেমে আসে কালো আধার। পড়াশোনা ত্যাগ করে, ছুটে আসি চাকরির খুঁজে শহরে। পরিবারে আমি সহ ভাইবোন চারজন পড়াশোনা চলতেছে আর মা আছেন। ওরা অধীর আগ্রহে বসে আছে, ভাইয়া শহর থেকে ঈদের জামা নিয়ে আসবে! আর আমিও আমার সাধ্যের সর্বোচ্চ টুকু দিয়ে ওদের জন্য যা নিতে পারছি নিলাম। পরিবারের সবার জন্য কাপড় নিলাম শুধু আমার টা নেওয়া হইনি কারণ তখন পকেটে দেখলাম টাকার স্বল্পতা তখন মাথায় আসলো গতবছরে নেওয়া পাঞ্জাবী টার কথা, সেটা দিয়ে ঈদ চালায় দিবো। আমি যত'টা না আমার জন্য কিছু কিনতে না পেরে কষ্ট পেয়েছি, তার চেয়েও হাজারো গুণ খুশি হয়েছি পরিবারের সবার জন্য সব কিছু কিনতে পেরে। এতে-ই, আমার সুখ আমার ত্যাগের প্রাপ্তি! চাকরিতে সকাল আর বিকাল বেলার নাস্তার জন্য ৬০ টাকা দিতো, আমি ৪০ টাকা খেয়ে ২০ টাকা জমা করে রেখে দিতাম।ভাবতাম, এ-ই ২০ টাকা মাস শেষে একটা বড় এমাউন্ট হবে, যেটা দিয়ে অন্তত ছোট ভাইয়ের টিউশনের বেতন মিটিয়ে দেওয়া যাবে। মধ্যবিত্ত পরিবার ,আর মধ্যবিত্ত পরিবারের টানাপোড়েন তো আছে-ই! আজ বাড়ি ফিরছি, চোখে ঘুমের ঘোর! সারাদিন দোকানে বেচাকিনা ছিল। ভোর ৪ টা-ই দোকান বন্ধ করে কর্মচারীদের বিদায় দিলো। আর অন্য দিকে মায়ের অধীর অপেক্ষা বড় ছেলে কখন আসবে সে আশায় সারারাত নিদ্রাহীন বসে থাকে ঘরের ধোয়ারে! মা"রা তো এমনই! মা দিবসে আমার চাওয়া, সকল মা হাজারো বছর ধরে বেচে থাকুক, পরম যত্নে সন্তানের 🖤